সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ড: হাসপাতালে বিভীষিকা, রক্তের জন্য মাইকিং

সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ড: হাসপাতালে বিভীষিকা, রক্তের জন্য মাইকিং

দেশজুড়ে স্পেশাল

জুন ৫, ২০২২ ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ

চিৎকার, কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিবেশ। হাসপাতালের সামনেও শ শ মানুষ তাদের স্বজনদের খুঁজে জড়ো হয়েছেন। এদিকে হতাহতদের জন্য রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে হাসপাতালে।

গতকাল রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহতদের আর্তনাদ আর স্বজনের ভারী নিঃশ্বাসে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।

আগুন ও বিস্ফোরণে জখম মানুষের জন্য জরুরিভাবে রক্তের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সে জন্য এগিয়েও এসেছেন স্থানীয় রক্তদাতা এবং বিভিন্ন রক্তদাতা সংগঠনের সদস্যরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রক্তদানের আহ্বান জানাচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে, ও নেগেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি নেগেটিভ রক্তের জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

নেগেটিভ রক্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে হ্যান্ড মাইকে মাইকিং করছেন গাউছিয়া কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের  খুবই সংকট।

হতাহতদের জন্য হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে হাসান ফার্মেসিতে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে হাসপাতালে অযথা ভিড় না করতে স্থানীয় জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ইউসুফ বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সামনে উৎসুক জনতা ভিড় করছে। এ কারণে আহতদের হাসপাতালে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে। মহাসড়ক এবং শহরের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের টহল দল কাজ করছে, যেন আহতদের দ্রুত হাসপাতালে আনা যায়।

ফৌজদারহাট লিংক রোড বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে সীতাকুণ্ড থেকে একসঙ্গে অনেক অ্যাম্বুলেন্স শহরের দিকে প্রবেশ করে। অ্যাম্বুলেন্সগুলো যাতে নির্বিঘ্নে প্রবেশ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হয়।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশেকুর রহমান বলেন, আরও রোগী হাসপাতালে আসছেন। তাদের মধ্যে শ্রমিক, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী এবং সাধারণ মানুষও আছেন। আহতের সংখ্যা আরও বাড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.