যেভাবে চলছে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন

যেভাবে চলছে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন

জাতীয় স্পেশাল

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো স্বস্তিতে নেই বিশ্ববাসী। বেশ কিছুদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকলেও আবার বিশ্বব্যাপী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে মহামারি করোনার কালো থাবা। মাঝে কিছুদিন করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর হার কম থাকলেও গত কিছু দিনে তা আবার বেড়ে গেছে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ সতর্কতার দিকে হাঁটছে বিভিন্ন দেশ।

দেশেও করোনাভাইরাসের (কোভিড ১৯) সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় দফায় শুরু হয়েছে লকডাউন। সারাদেশে লকডাউনের মধ্যে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকলেও পণ্য পরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ঔষধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, সংবাদপত্র, গার্মেন্টস সামগ্রী এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

তবে রাজধানীতে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে চলছে। নগরের প্রধান সড়কগুলোতে গণপরিবহন চলাচল না করলেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এসব যান চলাচল বন্ধে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের তেমন তৎপরতাও দেখা যায়নি।

তবে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সংশ্লিষ্টদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া যারা ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। ফলে গতকাল সোমবারের তুলনায় আজ মঙ্গলবার সড়কে যান চলাচল কম।

বেলা ১১টায় মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সামনে দেখা যায়, সিএনজি চালিত অটোরিকশা এবং অটোরিকশার জটলা লেগে আছে। এর মধ্যে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। আর অটোরিকশাগুলো প্রধান সড়ক থেকে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গলিতে যাচ্ছে।

অটোরিকশা চালক সাহেদ আলী বলেন, ‘সরকার লকডাউন ঘোষণা করলেও সড়কে যাত্রী কমেনি। আর বসে থাকলে তো কেউ ঘরে গিয়ে খাবার দিয়ে আসবে না। তাই রিকশা নিয়ে বের হয়েছি।’

রাজধানীর তেজগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় স্মরণী, রমনা, বাংলামোটর, শাহবাগ এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে।

তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড়ে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, তারা সকাল থেকেই সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। তবে যাত্রীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অফিস এবং হাসপাতালগামী যাত্রীর অজুহাত বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *