মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানোর বিষয়ে যা জানালেন হামজা

মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানোর বিষয়ে যা জানালেন হামজা

খেলা স্পেশাল

মে ১৭, ২০২১ ৩:০৪ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সারা বিশ্বের মুসলিমরা। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা। প্রতিবাদ জানাচ্ছেন ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও। তেমনি এক অভিনব প্রতিবাদ দেখা গেল এফএ কাপ ফাইনাল ম্যাচ শেষে। শিরোপা জয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইসরায়েলি হামলা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা চৌধুরী। লেস্টার সিটির হয়ে খেলা এই ফুটবলার খেলা শেষে মাঠেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে যান।

শনিবার (১৫ মে) রাতে এফ এ কাপের ফাইনালে চেলসিকে হারানোর পর সতীর্থ ওয়েসলি ফোফানাকে সঙ্গে নিয়ে ফিলিস্তিনের সমর্থনে দেশটির পতাকা তুলে ধরেন হামজা চৌধুরী। তাই শিরোপা জয় ছাপিয়ে হামজাই সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ান। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের শত কোটি মুসলমানের মন জয় করে নিয়েছেন হামজা।

তবে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদ কেন করলেন হামজা? এর রহস্যই বা কী? এমন সব কৌতূহল খোলাসা করেছেন হামজা। তিনি জানান, ‘খেলা শুরুর আগে গ্যালারিতে এক ব্যক্তির হাতে ফিলিস্তিনের একটি পতাকা দেখেছিলাম। তখনই আমার মাথায় পরিকল্পনা আসে ম্যাচ জিতলে পতাকাটা ওড়াব। খেলা শেষে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তারক্ষীকে দিয়ে সেই পতাকা আনিয়ে নিয়ে তারপর মাঠে পতাকা উড়িয়েছি।’

হামজার এমন প্রতিবাদের দৃশ্য দেখে ফিলিস্তিনিরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। ইংল্যান্ডে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলটের পক্ষ থেকেও ধন্যবাদ জানানো হয় তাকে। রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলট ফিলিস্তিন সরকারের পক্ষ থেকে হামজাকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, হামজার জন্ম ইংল্যান্ডে। হামজার মা রাফিয়া বাংলাদেশি এবং বাবা গ্রেনাডিয়ান। হামজার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে হলেও বাংলাদেশ থেকে কখনোই মানসিকভাবে দূরে থাকেননি। পরিবারের সঙ্গে অনেকবারই এসেছিলেন বাংলাদেশে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.