অনেক কারণেই মন বিষণ্ণ হতে পারে। আর এই বিষণ্ণতা ধীরে ধীরে আমাদের মন থেকে শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। আর এই অসুখের চিকিৎসা না করালে শরীরের উপরেও প্রভাব পড়ে।

মন ভালো রাখতে যেসব খাবার খাওয়া উচিত

লাইফস্টাইল স্পেশাল

এপ্রিল ২, ২০২১ ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অনেক কারণেই মন বিষণ্ণ হতে পারে। আর এই বিষণ্ণতা ধীরে ধীরে আমাদের মন থেকে শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। আর এই অসুখের চিকিৎসা না করালে শরীরের উপরেও প্রভাব পড়ে। আর মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে দ্রুত আপনাকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

তবে আপনি জানেন কিনা জানি না, বিষণ্ণতা সারাতে এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে মন ভালো থাকবে।

চলুন তেমন কিছু খাবারের কথা জেনে নেওয়া যাক-

প্রথমেই রয়েছে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার। একে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার ওষুধ। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।

দ্বিতীয়ত রয়েছে ভিটামিন বি-১২। এর অভাবে অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায়। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন বি ১২-এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব ভিটামিন বি ১২ এর চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন বি১২ আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

এরপর রয়েছে ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার। মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে ভিটামিন ডি ভালো কাজ করে। এই ভিটামিন মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়। কোনও কারণ ছাড়া হতাশা জেঁকে ধরলে বুঝবেন শরীরে হয়তো ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি আছে। এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় সহজেই। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যালোক; এ কয়টিই ভিটামিন ডি-এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

আর সবশেষে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.