ভারতে ‘ভিশনারি লিডার’ পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশি সাম্মাম

ভারতে ‘ভিশনারি লিডার’ পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশি সাম্মাম

শিক্ষা

জুন ৬, ২০২১

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এসএম সাম্মাম শক্তি ইবনে শাহাদাতকে ‘ভিশনারি লিডার অ্যাওয়ার্ডের’ জন্য মনোনীত করেছে ভারতের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি (এলপিইউ)।

জুনে চতুর্থ বার্ষিক আইএসআইইএনডিআইএ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মান দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশের সেঞ্চুরিয়ান ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ম্যানেজম্যান্টে এই অনুষ্ঠান হবে।

ভারতকে সত্যিকারের পরাশক্তিতে পরিণত করতে তার অসামান্য অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। অ্যাকাডেমিক সফলতা, অসাধারণ কাজ, অনুকরণীয় পেশাগত সেবা ও ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য প্রতিবছরই ইম্পেরিয়াল সোসাইটি অব ইনোভেটিভ ইঞ্জিনিয়ার্স আইএসআইইএনডিআইএ এই পুরস্কারের জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে নির্বাচিত করে।

শিক্ষাজীবনে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া প্রতিশ্রুতিশীল এই শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এলপিইউ আচার্য অশোক মিত্তাল।

তিনি বলেন, নিজের কাজের মধ্য দিয়ে সাম্মাম সবার মধ্যে গভীর সহানুভূতি জাগিয়েছে। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সে অব্যাহত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এই মহামারির যুগে তরুণরাই সমাজের নতুন মুখ। নিবেদিত কার্যক্রমের মাধ্যমে সাম্মাম এলপিও’র দ্যুতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছে। যে কারণে তাকে নিয়ে আমি গর্বিত।

লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটির যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী সম্মাম। তিনি নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন জনহিতকর ও দাতব্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সমাজিক উন্নয়নে তার অনুকরণীয় নেতৃত্ব দক্ষতা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।

সম্প্রতি ‘ইউএনআইটিই ২০৩০: ইয়োথ অ্যাকশন ফর বেটার ওয়ার্ল্ডে’ প্রশংসনীয় কাজের জন্য তিনি ‘সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক তরুণ অ্যাকটিভিস্ট ও বৈশ্বিক তরুণ নেতা’ নির্বাচিত হয়েছেন।

এসডিজি অর্জনে জাতিসংঘের প্রচারে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন সাম্মাম। তিনি বলেন, এলপিও’র শিক্ষার্থী হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে আমি সামাজিক সেবার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এসডিজির সবগুলো কার্যক্রমে আমি অংশ নিয়েছি। সুস্বাস্থ্য ও মানবকল্যাণ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে আমি কাজ করেছি। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে আমি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে উৎসাহিত করেছি।

এই ভিশনারি নেতা বলেন, বর্তমান বিশ্বে পরিবর্তন আনতে ১৭ প্রকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা দরকার। আমি এই সতেরোটিতেই কাজ করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *