দেশে এ পর্যন্ত ৯৮ লাখের বেশি টিকা দেওয়া শেষ

দেশে এ পর্যন্ত ৯৮ লাখের বেশি টিকা দেওয়া শেষ

জাতীয় স্লাইড

মে ২৫, ২০২১ ১২:৫৮ অপরাহ্ণ

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ৩৭৬ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার একজন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪০ লাখ ৫০ হাজার ৩৭৫ জন।

সোমবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের টিকা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, প্রথম ডোজ টিকা নেওয়া ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৯১২ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ আট হাজার ৯৭৯ জন, আর নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯৩৩ জন।

দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার একজনের মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ ৯ হাজার ৫৭ জন, আর নারী ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৩২৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দেশে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৯ জন।

প্রসঙ্গত, দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলে। দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ৮ এপ্রিল থেকে।

দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দিয়ে। সেরামের সঙ্গে তিন কোটি ডোজ টিকার চুক্তি হয় বাংলাদেশ সরকারের। সেরাম থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত টিকা এসেছে মাত্র এক কোটি দুই লাখ ডোজ।

এদিকে টিকার সংকটে প্রথম ডোজ নেওয়া সবাই এখনই দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছে অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন রোববার (২৩ মে) জানিয়েছেন, ১৫ লাখের কাছাকাছি মানুষের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড টিকা পেতে দেরি হবে। টিকার মজুত এ সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে। মূলত এ কারণেই দ্বিতীয় ডোজ পেতে দেরি হবে বলে জানান তিনি। তবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী অধিদফতর।

এদিকে চীনের পাঁচ লাখ সিনোফার্ম টিকা দেশে এসেছে। বাংলাদেশকে আরও ছয় লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। এই পরিস্থিতিতে মিক্সড করে দুই প্রতিষ্ঠানের দুই ডোজ টিকা দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, মিক্সড করে টিকা কার্যক্রমের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এফডিএসহ তারা যদি এই ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমরাও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

রোববার (২৩ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক নাজমুল আরও জানান, এই সপ্তাহ শেষে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মজুদ একেবারেই ফুরিয়ে যাবে। টিকার ঘাটতি থাকায় প্রথম ডোজ নেওয়াদের মধ্যে ১৫ লাখ মানুষের টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেতে দেরি হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.