কাতার বিশ্বকাপের সপ্তম স্টেডিয়াম ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’

কাতার বিশ্বকাপের সপ্তম স্টেডিয়াম ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’

খেলা

নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ

প্রথমবারের মত মধ্যপ্রাচ্যে আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক বছর বাকি রয়েছে। ইতোমধ্যেই বাছাইপর্বের বাঁধা পেরিয়ে বিশ্বের সেরা দলগুলো কাতার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

আয়োজনের দিক থেকে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিতে বদ্ধপরিকর কাতার। আয়োজক স্বত্ব পাবার পর থেকেই অন্য সবার থেকে আলাদা একটি বিশ্বকাপ উপহার দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী এই দেশটি। সমর্থকদের জন্যও ভিন্ন কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে স্থানীয় আয়োজক কমিটির।

ফিফা সভাপাতি গিয়ান্নি ইফান্তিনোও কাতারের আয়োজন নিয়ে বেশ আশাবাদী। এ সম্পর্কে ফিফা বস বলেছেন, আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন দারুনভাবে উপভোগ করবো। নান্দনিক সব স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে যার বেশীরভাগই প্রস্তুত হয়ে গেছে। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি ও কৃষ্টির মানুষকে একসঙ্গে করার সুযোগটি আমরা কাজে লাগাতে চাই।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি দোহার আল বায়েত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩০ নভেম্বর আরব কাপে কাতার বনাম বাহরাইনের মধ্যকার ম্যাচটি দিয়ে এই স্টেডিয়ামেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সপ্তম ভেন্যু ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’- এর নির্মাণকাজ রোববার শেষ হয়েছে। আসন্ন আরব কাপ দিয়ে এই স্টেডিয়ামেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। ৩০ তারিখ এই মাঠে সিরিয়া বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে এই স্টেডিয়ামের নাম ছিল রাস আবু আবুদ।

‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’-এর বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে জাহাজের হাজারো কনটেইনার। ভেন্যুটির অবস্থানও দোহা পোর্টের খুব কাছে। মজার ব্যপার হচ্ছে ‘৯৭৪’ হচ্ছে কাতারের আন্তর্জাতিক ডায়াল কোড।

বিশ্বকাপের পর ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’-কে পুরোপুরি ভেঙে ফেলা যাবে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। এমনকি স্টেডিয়ামটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা কোনো প্রযুক্তির দরকার হবে না। এটির তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’-এ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্ব পর্যন্ত মোট ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। স্টেডিয়ামে একসঙ্গে ৪০ হাজার দর্শক খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

এর আগে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ছয়টি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করেছিল কাতার। স্টেডিয়ামগুলো হলো- খলিফা ইন্টারন্যাশনাল, আল জয়নব, এডুকেশন সিটি, আহমাদ বিন আলী, আল বাইত এবং আল থুমামা। ফলে আর মাত্র একটি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ অসমাপ্ত অবস্থায় থাকলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *