উৎরে গেলেন বরিস

উৎরে গেলেন বরিস

আন্তর্জাতিক স্লাইড

জুন ৭, ২০২২ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ

আস্থা ভোটে উৎরে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনিই এখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থাকছেন। এর আগে যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টি বা রক্ষণশীল দলের আইনপ্রণেতারা অনাস্থা ভোটের আবেদন করার পর নেতৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

বরিস তার পক্ষে ২১১ টি ভোট পেয়েছেন। বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৪৮ টি। এ অনুযায়ী, বরিস ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ৪১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পড়েছে তার বিপক্ষে।

প্রত্যেক কনজারভেটিভ এমপিই ভোট দিয়েছেন। তবে এর আগে ২০১৮ সালে থেরেসা মে ৬৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। খবর বিবিসির।

কনজারভেটিভ এমপিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংসদীয় গ্রুপের বর্তমান কমিটির চেয়ারম্যান স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডি ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন।

সোমবার (৬ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। অনাস্থা ভোটে হেরে গেলে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হত বরিস জনসনকে।

এর আগে করোনা মহামারির লকডাউনের মধ্যে ডাউনিং স্ট্রিটে এক পার্টিতে অংশ নিয়ে সমালোচিত হন বরিস জনসন। ইতোমধ্যে তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। এছাড়া বিরোধী দলের পাশাপাশি নিজ দলেও চরম সমালোচিত হন জনসন। এ নিয়ে গত বছর তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। চলতি বছর বরিস সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না। এসব কারণেই সংসদে অনাস্থার মুখে পড়েন তিনি।

এছাড়া ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েও বিপাকে পড়েছেন বরিস জনসন।

যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীকে অপসারণে দেশটির এমপিদের প্রচেষ্টা আস্থা ভোট হিসেবে পরিচিত। এ নিয়ে ভোট আয়োজনের জন্য ‘নেতার ওপর আর আস্থা নেই’ উল্লেখ করে দেশটির বর্তমান অন্তত ১৫ শতাংশ এমপির একটি চিঠি লিখে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে।

অর্থাৎ বর্তমান ৩৫৯ জন কনজারভেটিভ এমপির মধ্যে ৫৪ জন এমপি যদি চেয়ারম্যান বরাবর প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চিঠি লেখেন বা ই-মেইল পাঠান, তাহলে আস্থা ভোট হিসেবে বিবেচিত হয়।

বরিস জনসন এ ভোটে জেতায় টোরি এমপিদের আগামী এক বছরের মধ্যে আর অনাস্থা ভোটের অনুমতি দেয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.